সোমবার , ১৯ জুন ২০২৩ | ১২ই ফাল্গুন, ১৪৩০
  1. অন্যান্য
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম
  5. খেলাধুলা
  6. গণমাধ্যম
  7. জাতীয়
  8. তথ্যপ্রযুক্তি
  9. বিনোদন
  10. মতামত
  11. রাজনীতি
  12. লক্ষ্মীপুর
  13. লাইফ স্টাইল
  14. শিক্ষাঙ্গন
  15. সংগঠন সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে হত্যা মামলায় পরকিয়া প্রেমিকসহ গৃহবধূর যাবজ্জীবন

প্রতিবেদক
ডেস্ক এডিটর
জুন ১৯, ২০২৩ ২:২০ অপরাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার :

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে শাশুড়ি রাহেমা বেগমকে (৬৫) বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে পরকিয়া প্রেমিক জসিম উদ্দিনসহ গৃহবধূ তাহমিনা আক্তারকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।
সোমবার (১৯ জুন) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন।
জামিন নিয়ে পলাতক থাকায় রায়ের সময় দন্ডপ্রাপ্ত তাহমিনা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তবে অপর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তার পরকিয়া প্রেমিক জসিম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

তাহমিনা রামগঞ্জ উপজেলার সাউদেরখিল গ্রামের মফিজুল ইসলামের মেয়ে ও একই উপজেলার রাঘবপুর গ্রামের কবির হোসেনের স্ত্রী। এ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত জসিম রাঘবপুর গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে।

আদালত ও মামলা সূত্র জানায়, রামগঞ্জ উপজেলার সাউদেরখিল গ্রামের মফিজুল ইসলামের মেয়ে তাহমিনা আক্তারের সাথে একই উপজেলার রাঘবপুর গ্রামের মসজিদ ওয়ালা নোয়া বাড়ির মো. আবু তাহেরের ছেলে দুবাই প্রবাসী কবির হোসেনের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর প্রবাসী কবির তার স্ত্রীকে বাড়িতে রেখে দুবাই চলে যায়। অন্যদিকে তার বাবা আবু তাহের ব্যবসার সুবাধে ঢাকাতে থাকতেন। বাড়িতে তাহমিনা এবং তার শাশুড়ী রাহেমা বেগম বসবাস করতো। তাহমিনার স্বামী বিদেশ থাকার সুবাদে সে পরপুরুষের প্রতি আশক্ত হয়ে পড়ে।

২০২১ সালের ২২ এপ্রিল রাত ৯ টার দিকে তাহমিনা তার চাচাতো ভাসুর জসিম উদ্দিনের সাথে দুইবার শারিরীক সম্পর্ক স্থাপন করে। ঘটনাটি তার শাশুড়ী রাহেমা বেগম দেখে ফেলায় দুইজন মিলে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করে।

ঐরাতে রাহেমা বেগমের মুখে বালিশ চাপা দেয় জমিস আর তাহমিনা তার দুই পা চেপে ধরে। এতে রাহেমার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর জসিম পালিয়ে যায়। তাহমিনা ভেতর থেকে ঘরের দরজা বন্ধ করে রাখে।
আশেপাশের লোকজন ঘটনাটি টের পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ফয়েজ আহমদকে খবর দেয়। পরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ রাহিমা বেগমের মৃতদেহ উদ্ধার করে এবং পুত্রবধু তাহমিনাকে আটক করে। এ ঘটনায় তাহমিনার শশুর মো. আবু তাহের (৭৭) বাদি হয়ে পুত্রবধূ তাহমিনাকে আসামী করে রামগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তাহমিনা ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। এতে ঘটনার সাথে জড়িত ভাসুর জসিম উদ্দিনের নামও প্রকাশ করে। পরে ২৭ এপ্রিল পুলিশ জসিমকে গ্রেপ্তার করে।

হত্যা মামলাটি তদন্ত করে ২০২২ সালের ২৭ এপ্রিল আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন রামগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবদুল বারী মৃধা। এতে হত্যার দায়ে তাহমিনা এবং জসিম উদ্দিনকে অভিযুক্ত করা হয়।

দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ সোমবার এ রায় দেন।

লক্ষ্মীপুর জজ আদালতে সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হত্যা মামলায় গৃহবধূ তাহমিনা জামিনে গিয়ে পলাতক রয়েছে।

 

সর্বশেষ - রাজনীতি

আপনার জন্য নির্বাচিত

লক্ষ্মীপুরে হত্যা ও ডাকাতি মামলায় ১১ জনের যাবজ্জীবন

লক্ষ্মীপুরে হত্যা মামলার আসামীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১

লক্ষ্মীপুরের ৪ আসনের ৩১ প্রার্থীর ২৩ জনই হারালেন জামানত

আরও ৬ কোটি ডিম আমদানির অনুমতি

হামলা-মামলা আর হুমকি-ধমকী সত্বেও নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি : স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ সাত্তার

লক্ষ্মীপুরে শহরের বিভিন্ন স্থানে দফায় দফায় ককটেল বিস্ফোরণ! জনমনে আতংক!

বিশ্বব্যাংক চাইলে পদ্মা সেতু একাই করতে পারত: কাদের

বিএনপি আসুক না আসুক যথাসময়ে নির্বাচন

হজের সময় প্রতিদিন মসজিদুল হারাম পরিষ্কার করা হয় যেভাবে

বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে যে বার্তা দিলেন বাবর