সোমবার , ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১২ই ফাল্গুন, ১৪৩০
  1. অন্যান্য
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. ইসলাম
  5. খেলাধুলা
  6. গণমাধ্যম
  7. জাতীয়
  8. তথ্যপ্রযুক্তি
  9. বিনোদন
  10. মতামত
  11. রাজনীতি
  12. লক্ষ্মীপুর
  13. লাইফ স্টাইল
  14. শিক্ষাঙ্গন
  15. সংগঠন সংবাদ

শিশুকে লাথি মেরে হত্যার দায়ে সৎ মায়ের ১০ বছরের কারাদণ্ড

প্রতিবেদক
ডেস্ক এডিটর
সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৩ ৯:৫৭ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে শিশু আহমেদকে (৩) লাথি মেরে হত্যার পর শয়নকক্ষের খাটের নিচে মরদেহ মাটিতে পুঁতে রাখার ঘটনায় সৎ মা কহিনুর বেগমকে ১০ বছরের কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে তার ১০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদন্ড আদেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এ রায় দেন। কহিনুর রামগঞ্জ উপজেলার দরবেশপুর ইউনিয়নের উত্তর দরবেশপুর গ্রামের মোবারক হোসেন কুট্টির মেয়ে।মামলার বাদী মিরন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রায়চৌ গ্রামের হাবিব মিয়ার ছেলে। দন্ড প্রাপ্ত কহিনুর বাদী মিরনের দ্বিতীয় স্ত্রী।

মামলার এজাহার সূত্র জানায়, মিরন ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা কর্মী হিসেবে চাকরি করেন। পরিবারিক কলহের প্রথম স্ত্রী শারমিন আক্তারের সঙ্গে তার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। আহমেদ তার প্রথম সংসারের ছেলে। কিছুদিন পর মিরন রামগঞ্জের কহিনুরকে বিয়ে করে। শিশু আহমেদসহ দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে তিনি নিজ এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। ২০২২ সালের ২২ জুলাই স্ত্রী-সন্তানকে রেখে তিনি ঢাকায় কর্মস্থলে চলে যান। ১০ আগস্ট আহমেদকে নিয়ে কহিনুর রামগঞ্জের দরবেশপুরে তার বাবার বাড়িতে যায়। সেখান থেকে ২৭ আগস্ট কহিনুর তার স্বামীর বাসায় আসেন। এরপর মিরনকে তিনি জানান আহমেদকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একইদিন ঢাকা থেকে এসে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তিনি ছেলেকে পাননি। এতে ২৮ আগস্ট হাজীগঞ্জ থানা পুলিশকে ঘটনাটি অবহিত করা হয়। পরদিন হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ বাসায় গিয়ে কহিনুরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি সত্যতা স্বীকার করেন। কহিনুর পুলিশকে জানান, ২৬ আগস্ট দিবাগত রাত ২ টার দিকে পেটে লাথি দিলে আহমেদ মারা যায়। পরে দা দিয়ে খাটের নিচে গর্ত করে তার মরদেহ মাটিতে পুঁতে রাখা হয়। পরে রামগঞ্জ থানা পুলিশের সহযোগীতায় ২৯ আগস্ট বিকেলে দরবেশপুর এসে কহিনুরের বাবার বাড়ির শয়নকক্ষের খাটের নিচে পুঁতে রাখা আহমেদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একইদিন মিরন বাদী হয়ে কহিনুরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। একই বছর ৩০ অক্টোবর রামগঞ্জ থানার পুলিশ আদালতে আসামি কহিনুরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।

ক্ষিপ্ত হয়ে কহিনুর শিশু আহমেদকে লাথি মারলে সে মারা যায়। পরে মরদেহ বসতঘরে মাটিতে পুঁতে রাখে। আদালতে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। মামলার সময় থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন। রায়ের সময়ও তিনি আদালতে উপস্থীত ছিলেন।

ওসমান গণি, লক্ষ্মীপুর।

সর্বশেষ - রাজনীতি

আপনার জন্য নির্বাচিত

কুরআনের বর্ণনায় প্রকৃতি ও পরিবেশ

লক্ষ্মীপুর-১ রামগঞ্জ… নৌকার প্রার্থীর টাকা বিতরণের ব্যাখা চাইলেন অনুসন্ধান কমিটি

নেপালে ভারী বর্ষণে বন্যা-ভূমিধস, হতাহত ২৬

লক্ষ্মীপুরে হত্যা মামলায় পরকিয়া প্রেমিকসহ গৃহবধূর যাবজ্জীবন

টাইটান দুর্ঘটনা নিয়ে যা বললেন টাইটানিক সিনেমার পরিচালক

থার্টি ফার্স্ট নাইটে ফানুস উড়াতে গিয়ে দগ্ধ সেই কিশোরের মৃত্যু

জলবায়ু সংকট এড়াতে বিশ্বের শীর্ষ ধনী দেশগুলোকে সৎ হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

কারও খবরদারির কাছে আমরা নতজানু হব না: প্রধানমন্ত্রী

সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে : প্রধানমন্ত্রী

লক্ষ্মীপুরে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সমাবেশ