সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে লক্ষ্মীপুরে ১১ গ্রামে আগাম ঈদ

লক্ষ্মীপুর সময় ডেস্কঃ

লক্ষ্মীপুরে ১১ টি গ্রামে আগাম ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হচ্ছে। তবে করোনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে জামাত অনুষ্ঠানের সরকারি নির্দেশনা থাকলেও তা মানা হয়নি এ জেলায়।

রবিবার (২৪ মে) সকাল ১০ টায় জেলার রামগঞ্জের নোয়াগাঁও এলাকার পঞ্চায়েত বাড়ী জামে মসজিদে সবচাইতে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এখানে মসজিদের ভিতর হাজারো মানুষের সমাগমে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা হয়নি যেমন, তেমনি করো মুখে মাস্কও দেখা যায়নি।

ঝুঁকিমুক্ত শঙ্কা ছাড়াই গাদাগাদি করে নামাজ আদায় করতে দেখা গেছে মুসল্লিদের।

জানতে চাইলে মসজিদের ঈমাম নেছার উদ্দিনসহ মুসল্লিরা জানান, বাহির থেকে (অন্য জেলা থেকে) কেউ না আসায় করোনার ঝুঁকি নেই তাদের গ্রামে, তাছাড়া সচেতন করলেও মানুষ তা মানছে না বলে জানান তারা। এক পর্যায়ে অসচেতনতাকেই দায়ী করলেন সবাই।

জানতে চাইলে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা রামগঞ্জ থানার এস আই লিটন চাকমা জানান, স্বাস্থ্যবিধি মানার নির্দেশনা থাকা সত্বেও তা মানা হয়নি। এটাকে অনাকাঙ্খিত ঘটনা উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ৪০ বছরেরও অধিক সময় ধরে লক্ষ্মীপুরে আরও ১০টি গ্রামে ঈদ উদযাপিত হচ্ছে। জেলার রামগঞ্জ উপজেলার নোয়াগাঁও, জয়পুরা, বিঘা, বারো ঘরিয়া, হোটাটিয়া, শরশোই, কাঞ্চনপুর ও রায়পুর উপজেলার কলাকোপা ও সদর উপজেলার বশিকপুরসহ ১১টি গ্রামের শতশত মুসল্লি ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন আজ।

এই জাতীয় আরো খবর

আপনার মতামত জানাতে পারেন।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.