শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি লঞ্চে গাদাগাদি ভিড়

লক্ষ্মীপুর সময় ডেস্কঃ

 মুন্সীগঞ্জ: শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি লঞ্চে গাদাগাদি ভিড়। ধারণ ক্ষমতার কয়েকগুণ বেশী যাত্রী নিয়েই পদ্মা পারি দিচ্ছে লঞ্চগুলো। সামাজিক দূরত্বের কোন বালাই নেই। স্বাভাবিক সময়ের চেয়েও বেশী যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে বলে যাত্রীরা অভিযোগ করেছে। উত্তাল পদ্মায় অতিরিক্ত যাত্রী বহন কোভিড-১৯ সংক্রমণ বিস্তার ছাড়াও দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে বলে বহু যাত্রী লঞ্চ থেকে শিমুলিয়া ঘাটে নেমেই উত্তেজিতভাবে এসব বলিছেন। এই সময় লঞ্চমালিক সমিতির প্রতিনিধি এবং সুপার ভাইজার আব্দুল রহিম যাত্রীদের উদ্দেশ্য ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, আপনারাই সচেতন না। যাত্রী ধারণ ক্ষমতার মধেই আছে। নামার সময় সামনে ভিড় পড়ে যায়। তিনি লঞ্চ দিখিয়ে বলেন ১৮৬ জন যাত্রীর ধারণ ক্ষমতা। এর বেশী যাত্রী নেই। কিন্তু উপস্থিত লোকজন বলছেন লঞ্চটিতে ৫শ’ যাত্রীর কম হবে না। রুটে রাজধানীগামী মানুষের ভিড় লেগেই আছে । লঞ্চ-স্পীড বোড, ট্রলার বন্ধ থাকায় ফেরিই এখন একমাত্র অবলম্বন। তাই গাদাগাদি করে হাজার হাজার মানুষ ফেরিতে করেই পদ্মা পারি দিচ্ছে। মরণব্যাধি কোভিড-১৯ সংক্রমণের ঝুকি, চরম দুভোর্গ আর অতিরিক্ত ভাড়া ব্যয় করেই কর্মস্থল যাত্রা করছে তারা। ফেরিতে যাত্রী প্রতি ২৫ টাকা এবং মোটরবাইকে ৭০টাকা আদায় করা হচ্ছে। যাত্রীদের অভিযোগ ভাড়া অতিরক্ত হচ্ছে। সরকাির প্রতিষ্ঠানেরর এই ফেরি গাদাগাদি করেই পার করছে। আর এই ছুটা যাত্রী এবং মোটর সাইকেলের টিকিট বিক্রি করেত ডেইলী পেমেন্টে ২৮ জন অতিরিক্ত লোক নিয়োগ করা হয়েছে। প্রতিদিন এই খাতে আয় হওয়া লাখ লাখ টাকার একটি অংশ ভাগভাটোরা হচ্ছে। দেখার যেন কেউ নেই। আবার মূল ঘাটের থেকেও কিছু স্পীট বোট চলছে এমন অভিযোগের বিষয়ে ইজাদার আশরাফ খান জানিয়েছেন, বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু এরপরও কিভাবে চলে, এটিই প্রশ্ন। এছাড়া শিমুলিয়া থেকে অতিরিক্ত যাত্রীবহন ও গাদাগাদি করে যাতায়াতের ব্যাপারে ঘাটে কোন দায়িত্বশীলকে পাওয়া যায়নি।

এই জাতীয় আরো খবর

আপনার মতামত জানাতে পারেন।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.