লক্ষ্মীপুরের রামগতি পৌর নির্বাচনের ভোট গ্রহণে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন।। ১০টি কেন্দ্রের প্রতিটিই ঝুঁকিপূর্ণ

আচরণবিধি লঙ্ঘণের দ্বায়ে ৪ জনের কারাদন্ড

রবিবার চতুর্থ ধাপে দেশের ৫৫টি পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ ধাপে লক্ষ্মীপুরের রামগতি পৌরসভায় প্রথমবারের মতো ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সে লক্ষ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। শনিবার বিকেলের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কেন্দ্রে কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে নির্বাচনী সরঞ্জামাদি। এখানে ১০টি কেন্দ্রের মধ্যে প্রতিটি কেন্দ্রই ঝূঁকিপূর্ণ ধরা হয়েছে বলে পুলিশ সুত্রে জানা যায়। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মো. নাজিম উদ্দিন এবং রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মোমেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনী এলাকায় ১ প্লাটুন বিজিবি, ৭০ জন পুলিশ সদস্য, ৯০ জন আনসার সদস্য, র‌্যাব ও কোস্ট গার্ড এর বিশেষ টিম ও ৫টা স্ট্রাইকিং ফোর্স, ৯জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন করা হয়েছে।
এ পৌরসভায় মেয়র পদে আওয়ামীলীগ ও বিএনপিসহ ৬ জন, কাউন্সিলর পদে মোট ৪৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এখানে ৯ টি ওয়ার্ডের ১০ টি কেন্দ্রে এবার ২০ হাজার ৯’শ ৫জন ভোটার তাদের ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন বলে নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়।

এ দিকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর চার কর্মীকে কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। শনিবার বিকেলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পুদম পুষ্প চাকমা তাদেরকে এ দন্ড দেন।
দন্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন পৌর তিন নম্বর ওয়ার্ড এলাকার চর সেকান্দর গ্রামের রিয়াজ উদ্দিন, মো. করিম, মো. রাজু হোসেন, মো.শরিফুল ইসলাম।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার তিন নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী নিজাম উদ্দিন এবং অপর প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী মো.সোহেল হাওলাদারের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে বাগবিতন্ডা হয়। পরে নির্বাচন আচারনবিধি ভঙ্গ করায় এ চারজনকে শুক্রবার রাতে আটক করে পুলিশ। পরে শনিবার তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক প্রত্যেককে সাতদিন করে বিনাশ্রম কারাদন্ড দেন।

এই জাতীয় আরো খবর

আপনার মতামত জানাতে পারেন।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.