ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’ঃ লক্ষ্মীপুরের কমলনগর-রামগতিতে সিপিপি’র আড়াই হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত

লক্ষ্মীপুর সময় ডেস্কঃ

ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’ মোকাবেলায় মেঘনা উপকূলীয় জেলা লক্ষ্মীপুরের কমলনগর ও রামগতিতে নানা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সিপিপি (ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি)। বঙ্গপোসাগরে সৃষ্ট এ ঘূর্ণিঝড়টির সতর্কতা জানিয়ে সিপিপি’র পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে পতাকা টানানোসহ মাইকিং করা হচ্ছে। যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছেন সিপিপি’র ১৬৪টি ইউনিটের দুই হাজার ৪৬০ জন স্বেচ্ছাসেবক।

সিপিপি’র কমলনগর উপজেলা টিমলিডার সামছুদ্দোহা খোকন জানান, কমলনগর উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি’র (সিপিপি) ৬৩টি ইউনিট রয়েছে। ইউনিটগুলোতে ৩১৫ জন নারী ও ৬৩০ জন পুরুষসহ ৯৪৫ জন স্বেচ্ছাসেবক রয়েছেন। ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’ মোকাবেলায় ওইসব স্বেচ্ছাসেবকরা প্রস্তুত রয়েছেন। ইতোমধ্যে প্রতিটি ইউনিটের নির্ধারিত স্থানে সতর্ক সঙ্কেতের পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। জনসাধারণকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করছেন তারা।

ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি’র (সিপিপি) রামগতি উপজেলা টিমলিডার মাইনউদ্দিন খোকন বলেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এ ঘূর্ণিঝড়টি শক্তিশালী হয়ে ক্রমশ উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে। এর প্রভাবে মেঘনা উপকূলীয় রামগতি উপজেলাকে ৭ নম্বর বিপদ সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, ঘূর্ণিঝড়সহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় তার টিমের স্বেচ্ছাসেবকরা বরাবরই নিরলসভাবে কাজ করে এসেছেন। এখন ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’ মোকাবিলায়ও তারা সোমবার থেকে পতাকা উত্তোলন ও মাইকিং শুরু করেছেন। ঘূর্ণিঝড়পূর্ব ও পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় তার ১০১টি ইউনিটের ৫০৫ জন নারী ও এক হাজার ১০ জন পুরুষসহ এক হাজার ৫১৫ জন স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রয়েছেন বলে তিনি জানান।

এই জাতীয় আরো খবর

আপনার মতামত জানাতে পারেন।

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.